সোমবার (২০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের অভিযোগগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত কোনো প্রেস বিজ্ঞপ্তি বা দাপ্তরিক অবস্থানের প্রতিফলন নয়। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, অপসারণ কিংবা প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের কোনো আইনগত ক্ষমতা নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বোর্ড তাদের নিয়োগপত্রের শর্ত লঙ্ঘন করে অবৈধ নিয়োগ দেওয়া সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, নিজস্ব ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য গণমাধ্যমে প্রচার করেছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য হাইকোর্ট বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসকে তিন মাসের জন্য কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন না করার নির্দেশও রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যমকে বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ এবং ইতোমধ্যে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর সংবাদ সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়েছে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।
মন্তব্য করুন